UMEED portal updates: ওয়াকফ সম্পত্তিতে বড়সড় ধাক্কা! সরকারি পোর্টালে তথ্য আপলোড হতেই বাতিল ৮৮,৫০০টি এন্ট্রি!
UMEED portal updates-ওয়াকফ সম্পত্তিতে বড়সড় ধাক্কা! সরকারি পোর্টালে তথ্য আপলোড হতেই বাতিল হলো ৮৮,৫০০টি এন্ট্রি। কেন্দ্রীয় সরকারের UMEED পোর্টালে আপলোড করা প্রায় ৭.৯৬ লাখ সম্পত্তির তথ্যের মধ্যে প্রায় ১১ শতাংশ বা ৮৮,৫০০টি এন্ট্রিই রিজেক্ট বা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে- ১১ শতাংশ সম্পত্তির ডিজিটাল অস্তিত্ব কি তবে ঝুঁকির মুখে? জমির রেকর্ডে গড়মিল নাকি নথিপত্রের অভাব? সরকারি স্বচ্ছতা বনাম ওয়াকফ বোর্ডের অস্তিত্ব রক্ষার এই লড়াই এখন তুঙ্গে (UMEED portal updates)।
বাতিলের নেপথ্যে কারণ ও অসঙ্গতি: কেন হঠাৎ এত বিপুল সংখ্যক সম্পত্তির এন্ট্রি বাতিল হলো, তা নিয়ে শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, জমির রেকর্ডে অমিল (Land Records mismatch) , নথিপত্রের খামতি, ঐতিহাসিক বিবরণের অভাব এবং যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় অসঙ্গতিই হচ্ছে বাতিলের মূল কারণ। ওয়াকফ সম্পত্তি পরিচালনার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের পুরনো নথিপত্র এবং আধুনিক ডিজিটাল জমির দলিলের মধ্যে যে বিশাল ফারাক রয়েছে, তা এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হয়ে গেছে। অনেক ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক দলিল বা ওয়াকফ ঘোষণার অকাট্য প্রমাণ খুঁজে পেতে বেগ পেতে হচ্ছে কর্মকর্তাদের বলেও জানা গেছে।
ইউএমইডি পোর্টাল ও স্বচ্ছতার লড়াই: এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো, ওয়াকফ সম্পত্তির সঠিক Governance নিশ্চিত করা। ‘মেকার-চেকার-অ্যাপ্রুভার’ নামক একটি ত্রিস্তরীয় যাচাইকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে তথ্যগুলো পোর্টালে যুক্ত করা হচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, অবৈধ দখল, জাল দাবি এবং দীর্ঘদিনের অস্বচ্ছতা দূর করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে সম্পত্তির প্রকৃত হিসাব রক্ষা করা এবং আয় বৃদ্ধি করে তা জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার করার লক্ষ্য রয়েছে। তবে উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে ৩০ হাজারেরও বেশি এন্ট্রি বাতিল হওয়ায় পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করা যাচ্ছে।
বিতর্ক ও আগামীর চ্যালেঞ্জ: ডিজিটাইজেশনের এই পদ্ধতি নিয়ে যেমন আশার আলো দেখা যাচ্ছে, তেমনই সমালোচকদের গলায় আশঙ্কার সুর। বহু ওয়াকফ বোর্ডের অভিযোগ, পুরনো রেকর্ড ডিজিটাল যুগের সঙ্গে খাপ না খাওয়ায় অনেক বৈধ সম্পত্তিও বাতিলের খাতায় চলে যাচ্ছে। বিষয়টি এখন আইনি মোড় নিতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, কারণ অনেক বোর্ড বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথা ভাবছে। সুপ্রিম কোর্টও এই প্রক্রিয়ার সময়সীমা বাড়াতে অস্বীকার করায় ওয়াকফ বোর্ডগুলোর উপর এখন সংশোধনী জমা দেওয়ার তীব্র চাপ তৈরি হয়েছে। প্রশাসনিক Transparency এবং দীর্ঘদিনের রক্ষণশীল নথিপত্র সংরক্ষণের পদ্ধতির মধ্যে যে দ্বন্দ্ব, তা এই সংকটের মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।












