Abhishek Banerjee FIR 28May: সম্প্রীতি ভঙ্গের চেষ্টা! এবার ভবানীপুর থানায় মারাত্মক অভিযোগে বিদ্ধ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
বিধাননগরের পর এবার খোদ মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, বাড়ছে আইনি অস্বস্তি
Abhishek Banerjee FIR 28May- ফের বড়সড় আইনি বিপাকে তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড! বিধাননগর সাইবার থানার পর এবার খোদ ভবানীপুর থানায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ভঙ্গের মারাত্মক অভিযোগ দায়ের হলো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে! গত ২ মে-র একটি সোশাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরেই দানা বেঁধেছে তীব্র বিতর্ক। অভিযোগকারীর দাবি, সমাজে ঘৃণা ছড়াতেই নাকি ওই পোস্ট করেছিলেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ (Abhishek Banerjee FIR 28May)!
ভোট প্রচারের ঝাঁজালো মন্তব্যের জেরে আগেই তাঁর বিরুদ্ধে বিধাননগর সাইবার থানায় মামলা দায়ের হয়েছিল। এবার খোদ কলকাতার ভবানীপুর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি (Communal Harmony) বিঘ্নিত করার চেষ্টার অভিযোগে একটি নতুন এফআইআর (Police Complaint) দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগকারী অর্ণবকান্তি দাসের দাবি, গত ২ মে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সোশাল মিডিয়া (Social Media) হ্যান্ডেলে এমন একটি বিতর্কিত পোস্ট করেছেন, যা সমাজে ঘৃণা ছড়াতে পারে। শুধু তাই নয়, যার ফলে জাতীয় সংহতি (National Integrity) বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একজন দায়িত্বশীল সাংসদ হিসেবে এই ধরণের পোস্ট অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এই সংক্রান্ত একটি ডিজিটাল প্রমাণ বা কপিও পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, যার ওপর ভিত্তি করে পুলিশ ইতিমধ্যেই প্রাথমিক তদন্ত (Preliminary Investigation) শুরু করেছে।
এই গোটা ঘটনার সূত্রপাত অবশ্য আরও কিছুটা আগে। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) হাইভোল্টেজ প্রচার পর্ব চলাকালীন গত ২৭ এপ্রিল একটি জনসভা থেকে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছিলেন অভিষেক। সেখানে তিনি হুঁশিয়ারির সুরে বলেছিলেন, ৪ তারিখ রাত ১২টার পর এই জল্লাদদের বাঁচাতে দিল্লি থেকে কোন বাবা আসে, তা তিনি দেখে নেবেন। এই উসকানিমূলক মন্তব্যের (Provocative Statement) বিরুদ্ধে সরব হয়ে বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় মোট ৫টি ধারায় মামলা রুজু করেন। যদিও সেই নির্দিষ্ট মামলায় কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta High Court) থেকে আইনি রক্ষাকবচ (Legal Protection) পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই স্বস্তির মেয়াদ ফুরনোর আগেই সোশাল মিডিয়া পোস্টের জেরে নতুন করে ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় শাসক শিবিরের অন্দরে অস্বস্তি ও রাজনৈতিক চাপানউতোর (Political Tension) নতুন মাত্রা পেল।












