Ali Larijani Death: লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি ইরানের
ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি (Ali Larijani Death) হত্যার চূড়ান্ত জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান আমির হাতামি। বলা বাহুল্য, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির খুনের পর মি. লারিজানিই ছিলেন দেশটির সবচেয়ে সিনিয়র নেতা।
এই ঘটনায় ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইসরাইলের বিমান হামলায় ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি নিহত হওয়ার ঘটনায় তারা ‘চূড়ান্ত’ পাল্টা জবাব দেবে (Ali Larijani Death)।
এক বিবৃতিতে হাতামি বলেন, “উপযুক্ত সময় ও স্থানে অপরাধী আমেরিকা এবং রক্তপিপাসু জায়নবাদী শাসনের বিরুদ্ধে কঠোর, প্রতিরোধমূলক ও অনুতাপজনক জবাব দেওয়া হবে। তিনি লারিজানি ও অন্যান্য ‘শহীদদের’ মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দেন ওই বিবৃতিতে।
এদিকে ইরানের বিপ্লবী গার্ড (রেভল্যুশনারি গার্ড জানিয়েছে যে, লারিজানির মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে তারা ইতিমধ্যেই মধ্য ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
ওদিকে ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেল আবিবে দুজন নিহত হয়েছে। শুধু তাই নয়, বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে একাধিক ড্রোন ও রকেট হামলা চালানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ঘটনায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নেটোসহ অন্য মিত্রদের সমালোচনা করে জানিয়েছেন যে এসব দেশ ইরান যুদ্ধে জড়িত হতে চায় না। এর আগে হরমুজ প্রণালি রক্ষায় এগিয়ে আসতে সহযোগীদের প্রতি মি. ট্রাম্প যে আহবান জানিয়েছিলেন তাও ওইসব দেশ নাকচ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম সেন্টার (এনসিটিসি)-এর পরিচালক জো কেন্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে বলেছেন ‘বিবেকের তাড়নায়’ তিনি ইরানের সঙ্গে চলমান এই যুদ্ধকে সমর্থন করতে পারছেন না।
এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অস্ট্রেলিয়ার সামরিক ঘাঁটিতেও হামলার খবর নিশ্চিত করেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেছেন স্থানীয় সময় সকাল সোয়া নয়টায় আল মিনহাদ ঘাঁটিতে একটি প্রজেক্টাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করে। “আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে কোনও অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক আহত হননি এবং সবাই নিরাপদ আছেন।












