Chankharpul massacre: বাংলাদেশের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার হাবিবুরকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক - প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, দুপুর ২:৩১

হাসিনার আমলে ঢাকার পুলিশ কমিশনার ছিলেন হাবিবুর

DMP Commissioner Habibur Rahman 904cd1a2693788d62c6ef9e1163c2e38

জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার আন্দোলন চলাকালীন ঢাকার চানখারপুলে (Chankharpul massacre) ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় প্রাক্তন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় আরও দুজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। তারা হলেন প্রাক্তন যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ও প্রাক্তন এডিসি (রমনা) শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন। তবে প্রাক্তন কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সবাই পলাতক রয়েছেন বলেই খবর। এই মামলায় অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া দিয়েছেন আদালত।

তাদের মধ্যে রমনা জোনের প্রাক্তন এসি মুহাম্মদ ইমরুলকে ৬ বছর, শাহবাগ থানার প্রাক্তন পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেনকে ৪ বছর, কনস্টেবল মো. সুজন, ইমাজ হোসেন ইমন ও নাসিরুল ইসলামকে ৩ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে মুহাম্মদ ইমরুল পলাতক রয়েছেন।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে Chankharpul massacre শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামীম, সহিদুল ইসলাম ও আবদুল্লাহ আল নোমানসহ অপর প্রসিকিউটররা। অন্যদিকে আসামি ইমাজ হোসেন ইমনের পক্ষে ছিলেন করেন আইনজীবী মো. জিয়াউর রশিদ এবং পলাতক চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে ছিলেন কুতুবউদ্দিন আহমেদ।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চানখাঁরপুল এলাকায় শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে গুলি চালায় পুলিশ । এতে শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ মাহদী হাসান জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া শাহরিক শহীদ হন।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়। গত ১১ আগস্ট চিফ প্রসিকিউটর মুহাম্মদ তাজুল ইসলামের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন শেষে এই মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন শহীদ আনাসের বাবা সাহরিয়ার খান পলাশ।

এরপর শহীদ আনাসের মা ও নানাসহ মোট ২৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন করা হয়। এই মামলায় সাক্ষ্য দেন প্রাক্তন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।

এই মামলায় গ্রেফতার চার আসামি হলেন— শাহবাগ থানার প্রাক্তন ওসি (অপারেশন) মো. আরশেদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলাম।

ডিএমপির প্রাক্তন কমিশনার হাবিবুর রহমান, প্রাক্তন যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ও রমনা অঞ্চলের প্রাক্তন অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম ও প্রাক্তন সহকারী কমিশনার (এসি) মুহাম্মদ ইমরুল অন্যদিকে পলাতক রয়েছেন।

Scroll to Top