Iran Next Leader: কে হবেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা ?

আন্তর্জাতিক - প্রকাশিত: ১ মার্চ ২০২৬, বিকাল ৪:০০
22ndosag iran next

যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত (Iran Next Leader) হওয়ার পর দেশটির ধর্মীয় শাসনব্যবস্থা এখন নতুন নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে।

প্রায় চার দশক কঠোর নিয়ন্ত্রণে দেশ পরিচালনা করা খামেনি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও উত্তরসূরি ঘোষণা করে যাননি। ফলে সংবিধান অনুযায়ী ৮৮ সদস্যের নির্বাচিত ধর্মীয় পরিষদ ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করবে (Iran Next Leader)।

১৯৭৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর এ পরিষদ মাত্র একবারই এই দায়িত্ব পালন করেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে স্থিতিশীলতার বার্তা দিতে শাসকগোষ্ঠী দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে চাইবে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনায় খুব তাড়াতাড়ি পরিষদের সদস্যরা বৈঠকে বসতে পারেন। তবে  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যৌথ বোমা হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়ায়, এমন বৈঠক আয়োজন করাই কতটা নিরাপদ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে অবশ্যই পুরুষ এবং একজন শিয়া আলেম হতে হবে। যার রাজনৈতিক দক্ষতা, নৈতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি আনুগত্য রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই শর্তগুলোর ব্যাখ্যা এমনভাবে করা হতে পারে যাতে সামাজিক উদারতা বা আন্তর্জাতিক যোগাযোগে আগ্রহী সংস্কারপন্থী আলেমরা কার্যত বাদ পড়ে যান।

সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে কয়েকজনের নাম আলোচনায় এলেও এখনও কেউ স্পষ্টভাবে এগিয়ে নেই। প্রয়াত নেতার ছেলে মোজতবা খামেনেই পর্দার আড়ালে প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত এবং আইআরজিসির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তবে তিনি জ্যেষ্ঠ আলেম নন, কোনও আনুষ্ঠানিক পদেও নেই, আর বংশানুক্রমিক ক্ষমতা হস্তান্তর ইরানের ধর্মীয় কাঠামোয় জনপ্রিয় নয়।

৬৭ বছর বয়সী আলিরেজা আরাফি একজন জ্যেষ্ঠ আলেম ও অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের উপপ্রধান। প্রশাসনিকভাবে অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত হিসেবে বিবেচিত হলেও তিনি শক্তিশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত নন।

এছাড়া প্রতিদ্বন্দিতায় রয়েছেন পশ্চিমবিরোধী কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিত মোহাম্মদ মেহদি মিরবাগেরি। পঞ্চাশের কোঠায় থাকা ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতার নাতি হাসান খোমেনি অন্যদিকে এবং জ্যেষ্ঠ আলেম ও অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের উপপ্রধান হাশেম হোসেইনি বুশেহরি। এছাড়াও ইরানের শেষ শাহের ছেলে রেজা পাহলভির নাম আলোচনায় রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

তিনি মার্কিন হামলাকে ‘মানবিক হস্তক্ষেপ’ উল্লেখ করে, জনগণকে রাস্তায় নামার আহ্বান জানিয়েছেন এবং ইরানের সেনাবাহিনীকে গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের পথ খোলার জন্য অনুরোধ করেছেন।  

Scroll to Top