Israel–Turkey relations: গাজায় সেনা মোতায়েন নিয়ে মুখোমুখি ইসরাইল-তুরস্ক
গাজায় সেনা মোতায়েন নিয়ে ফের একবার মুখোমুখি ইসরাইল – তুরস্ক (Israel–Turkey relations) । গাজায় আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা বাহিনীতে তুরস্কের অংশগ্রহণ নিয়ে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক দাবিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে আঙ্কারা। সোমবার ইসরাইলের পার্লামেন্টে দেওয়া এক ভাষণে নেতানিয়াহু বলেন, যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা শাসনে তুরস্ক বা কাতারের কোনও প্রভাব বা সৈন্য থাকবে না। তবে তুরস্কের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা মঙ্গলবার মিডল ইস্ট আইকে জানিয়েছেন, গাজায় সেনা মোতায়েনের বিষয়টি এখনও আলোচনার বস্তু। তবে এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
ওই কর্মকর্তা অনেকটা উপহাসের সুরে স্মরণ করিয়ে দেন, এর আগে নেতানিয়াহু তুরস্ককে ‘বোর্ড অফ পিস’-এ অন্তর্ভুক্ত না করার ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে এরদোগান সেই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিয়েছেন।
গত অক্টোবর মাসে শার্ম আল-শেখ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় শান্তি পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছিল। সেখানে গাজা পুনর্গঠন ও প্রশাসনিক তদারকির জন্য একটি ‘বোর্ড অফ পিস’ গঠনের কথা বলা হয়। ট্রাম্প নিজে এই বোর্ডের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং এতে তুরস্ক ও কাতারকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে রাখা হয়েছে।
ইসরাইলের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও তুরস্কের বিদেশমন্ত্রী হাকান ফিদানকে গাজা এক্সিকিউটিভ বোর্ডের সদস্য করা হয়েছে।
এই বোর্ড সরাসরি ভূখণ্ডটির দৈনন্দিন প্রশাসনিক ও পুনর্গঠন কাজ তদারকি করবে। আঙ্কারার দাবি, এই কাঠামোর বিন্যাসই প্রমাণ করে গাজার ভবিষ্যতে তুরস্ক ও কাতারের সক্রিয় ভূমিকা অনিবার্য।
তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান চলতি মাসের শুরুতে বলেছিলেন, তুরস্ককে ছাড়া গঠিত কোনও আন্তর্জাতিক বাহিনী ফিলিস্তিনিদের আস্থা অর্জন করতে পারবে না।
তিনি যুক্তি দেন, ন্যাটোর সদস্য হিসেবে এবং ইসরাইল ও ফিলিস্তিন; উভয় পক্ষের সাথেই ঐতিহাসিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগ থাকায় তুরস্কই এই শান্তি মিশনে সবচেয়ে যোগ্য পক্ষ।
নেতানিয়াহু এই প্রভাব কমানোর চেষ্টা করলেও আঙ্কারা মনে করছে মার্কিন সমর্থন এবং আঞ্চলিক বাস্তবতায় গাজার পুনর্গঠন ও নিরাপত্তারক্ষায় (Israel–Turkey relations) তুরস্কের উপস্থিতি এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।












