Israeli–Lebanese conflict: লেবানন-ইসরাইল আলোচনা প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহ নেতার
ইসরাইলের সঙ্গে সমস্ত রকম আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছেন (Israeli–Lebanese conflict) হিজবুল্লাহর অন্যতম নেতা নাঈম কাসেম। শুধু তাই নয়, এ ধরনের আলোচনাকে ‘ফলহীন’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) আমেরিকায় লেবাননের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইসরাইল ও মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা রয়েছে। এর আগেই কাসেমের এই মন্তব্য সামনে এলো।
গত মার্চে ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পরপরই লেবানন সরকার ইরান-সমর্থিত সংগঠন হিজবুল্লাহর সামরিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। দেশটির প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এ সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন, হিজবুল্লাহ দেশটিকে আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলেছে। কাসেম বলেন, এই আলোচনা হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করতে চাপ প্রয়োগের একটি কৌশল। তিনি বলেন, ‘ইসরাইল স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই আলোচনার লক্ষ্য হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা—যা প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বারবার উল্লেখ করেছেন। তাহলে এমন আলোচনায় কীভাবে যাওয়া সম্ভব, যার উদ্দেশ্য আগেই নির্ধারিত?’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা থামব না, থেমে যাব না বা আত্মসমর্পণ করব না। বরং পরিস্থিতির জবাব দেবে যুদ্ধক্ষেত্রই।’
মার্চের শুরুতে হিজবুল্লাহর রকেট হামলার পর ইসরাইল লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান জোরদার করে। যদিও ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর ছিল, তারপরও ইসরাইল প্রায় প্রতিদিনই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। হিজবুল্লাহ জানায়, ২ মার্চের হামলাটি ছিল ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহত হওয়ার প্রতিক্রিয়া। এরপর থেকে ইসরাইলের হামলা ও দক্ষিণ লেবাননে স্থল অভিযান মিলিয়ে অন্তত ২ হাজার ৫৫ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১৬৫ শিশু ও ৮৭ জন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। আহত হয়েছেন ৬ হাজার ৫০০ জনের বেশি এবং প্রায় ১২ লাখ মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। লেবানন সরকার বলছে, তাদের অগ্রাধিকার হচ্ছে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা। তবে ইসরাইল সরাসরি শান্তি আলোচনার কথা বলছে এবং হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করাকে প্রধান শর্ত হিসেবে তুলে ধরেছে।












