Muslim migrant worker: অন্ধ্রপ্রদেশে চোর সন্দেহে মুসলিম যুবককে পিটিয়ে হত্যা
হত্যার আগে তাদের কাছে মুক্তিপণও চাওয়া হয়েছিলো। এইদিকে তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করেছে, হত্যায় বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা জড়িত।
দেশজুড়ে মুসলিমবিদ্বেষ (Muslim migrant worker ) মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে। বাংলাদেশি তকমা দিয়ে পিটিয়ে খুন করা হচ্ছে ভারতীয় মুসলিমদের। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাদের। এমনটাই অভিযোগ তুলছেন অনেকেই। মুসলিমরা যেন গেরুয়া শিবিরের চক্ষুশূল হয়ে গেছে!
এই আবহে অন্ধ্রপ্রদেশের কোমারলুতে চোরের অভিযোগে ফের এক পরিযায়ী শ্রমিককে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে। মৃত শ্রমিকের নাম মঞ্জুর আলম। পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। বুধবার (২১ জানুয়ারি) এ ঘটনা ঘটে।
Namaz: অনুমতি-ব্যতীত নামাজ পড়ার অভিযোগে উত্তরপ্রদেশে আটক ১২
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, হত্যার আগে তাদের কাছে মুক্তিপণও চাওয়া হয়েছিলো। এইদিকে তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করেছে, হত্যায় বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা জড়িত।
নিহত মঞ্জুর পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার মাগরাহাট পশ্চিম এলাকার রঙ্গিলাবাদ গ্রামের বাসিন্দা। আন্ধ্রপ্রদেশের কোমারলুর একটি জারি কারখানায় কাজ করতেন তিনি।
মঞ্জুরের পরিবার জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার অজানা নম্বর থেকে মুক্তিপণ দাবি করে ২৫ হাজার টাকা চাওয়া হয় এবং না দিলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে অনলাইনে ৬ হাজার টাকা পাঠানো হলেও, পরদিন মঞ্জুরের মৃত্যু সংবাদ পান তারা (Muslim migrant worker )।
এই ঘটনা ঘটে কয়েক দিন পর ঝাড়খণ্ডে বেলডাঙ্গার বাসিন্দা আলাউদ্দিন শেখ নামে আরেকজন পশ্চিমবঙ্গের অভিবাসী শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছিল। যার ফলে উক্ত জেলায় রেললাইন ও জাতীয় সড়ক-১২ অবরোধ করা হয়।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, ‘প্রতিটি বিজেপি-শাসিত রাজ্যে বাঙালিদের ওপর বর্বর নিপীড়ন, হয়রানি ও সহিংসতা চলছে। এছাড়া স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি করেছে,হত্যায় বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা জড়িত।
এদিকে, ওড়িশায় অভিবাসী শ্রমিকদের ওপর হামলার প্রেক্ষাপটে কংগ্রেসের প্রাক্তন পশ্চিমবঙ্গ সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী সম্প্রতি সাম্বলপুর পরিদর্শন করেছেন।












