RAMADAN MUBARAK: খোশ আমদেদ মাহে রমযান
RAMADAN MUBARAK - DAY 1: রাসূল (সা.) চাঁদ দেখে রমযান শুরু এবং ঈদ- উল-ফিতর পালন করতে বলেছেন।
আহলান সাহলান, মোবারক হো মাহে রমযান (RAMADAN MUBARAK)। আজ পয়লা রমযান। ইসলাম ধর্মের বিধান অনুযায়ী পবিত্র মাহে রমযান উপলক্ষে বুধবার কলকাতার ঐতিহাসিক নাখোদাসহ রাজ্যের মসজিদে মসজিদে শুরু হয়েছে পবিত্র রমযানের বিশেষ নামাজ ‘খতমে তারাবি’। হেলাল কমিটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আজ থেকে রাজ্যের মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা রোজা পালন করবেন।

ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, চাঁদ দেখার পরই রমযান মাসের সূচনা হয়। এদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চাঁদ দেখার খবর পাওয়া যাওয়ায় পরেই বুধবার দেশজুড়ে প্রথম তারাবির সালাত আদায় করা হয় (RAMADAN MUBARAK)।
আল্লাহ রব্বুল আলামিনের অশেষ রহমত, বরকত, মাগফিরাত ও নাজাতের এ মাসেই নাজিল হয় পবিত্র কুরআন।
মহান আল্লাহ তা’আলা পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেছেন, হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।( সূরা আল-বাকারা)
Trump Ramadan Message: রমযানের শুভেচ্ছা জানালেন ট্রাম্প
এই আয়াতের মধ্যে লুকিয়ে আছে রমযানের প্রকৃত দর্শন। রোজা কেবল ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকার নাম নয়। এটি আসলে নৈতিক ও আত্মিক চর্চার এক ব্যাপক প্রশিক্ষণ।
রমযান মাস একজন মুমিনকে প্রস্তুত করে জীবনের বৃহত্তর পরীক্ষার জন্য। এখানে ক্ষুধা-তৃষ্ণা সহ্য করা শুধু শারীরিক একটি কাজ নয়, এটি মনকে শক্তিশালী করার, ইচ্ছাশক্তিকে দৃঢ় করার এবং প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করার এক অনন্য মাধ্যম।
রহমত, বরকত, মাগফেরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র রমযান। মহান রাব্বুল আলামীন এ মাসের রোজাকে ফরজ করেছেন। যে পাঁচটি স্তম্ভের ওপর ইসলাম ধর্মের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত তার একটি সিয়াম বা রোজা। মানুষের দৈহিক, মানসিক, আত্মিক, নৈতিক ও আধ্যাত্মিক উন্নয়নে এ মাসের রোজা অত্যন্ত ফলপ্রসূ। সংযম, সহিষ্ণুতা ও আত্মশুদ্ধির অনন্য চেতনায় ভাস্বর মাহে রমযান।
মহানবী (সা.) এ মাসকে এক সুমহান মাস হিসেবে অভিহিত করেছেন। এ মাসের প্রথম ১০ দিন রহমত, মধ্য ১০ দিন মাগফিরাত এবং শেষ দিনগুলো জাহান্নাম থেকে মুক্তির। অন্যান্য মাস অপেক্ষা রমযান মাসের শ্রেষ্ঠত্বের বড় কারণ এই যে, এ মাসেই বিশ্ব মানবতার মুক্তিসনদ পবিত্র আল কুরআন নাজিল হয়।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহপাক বলেছেন, রমযান সেই মাস, যে মাসে কুরআন নাজিল হয়েছে। কুরআন, যা মানুষের হেদায়াত, সত্যের পথযাত্রীদের জন্য সুপষ্ট পথনির্দেশক আর ন্যায়-অন্যায়ের মধ্যে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে কেউ এ মাসটি পাবে, সে এ মাসে রোজা রাখবে। এ মাসেই এমন একটি রাত রয়েছে, যাকে বলা হয় লাইলাতুল কদর বা সৌভাগ্যরজনী।
আল্লাহপাক এ সম্পর্কে বলেছেন, এটি (আল- কুরআন) কদরের রাতে নাজিল করেছি। তুমি কি জান, কদরের রাত কী? কদরের রাত হাজার মাস অপেক্ষাও অধিক উত্তম।












