Assam violence: অগ্নিগর্ভ অসম, বন্ধ ইন্টারনেট

ভারত - প্রকাশিত: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, রাত ৮:৫৫
PTI12 24 2025 000094B

একাধিক ইস্যুতে অগ্নিগর্ভ অসম (Assam violence)। নিহত ২। গুরুতর আহত আরও ৫০। অধিকাংশই আসাম পুলিশের সদস্য। মৃত দুজনের একজন আদিবাসী আথিক তাইমুং এবং অন্যজন হিন্দু বাঙালি সুরেশ দে (২৫) বলে জানা গেছে। সুরেশ দে শারীরিক প্রতিবন্ধী হিসেবে তালিকাভুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে চলা জমি ও বহিরাগত উচ্ছেদ নিয়ে চলমান দ্বন্দ্ব মঙ্গলবার ভয়াবহ হিংসায় রূপ নেয়।

যার রেশ বুধবারও রয়েছে (Army deployed in Assam’s violence-hit West Karbi Anglong )। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মঙ্গলবার দুই জেলায় কারফিউ জারি করা হয়েছিল। সেই সঙ্গে   মোবাইলের ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছিল।

চলতি সপ্তাহের শুরুর দিক থেকে মূলত আদিবাসী ও আদিবাসী নন, এ দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। সোমবার বিক্ষোভকারীরা স্বায়ত্বশাসিত কার্বি আংলং পরিষদের প্রধান ব্যবস্থাপক ও বিজেপি নেতা (bjp leader) তুলিরাম রংহাঙ্গের পৈতৃক বাড়ি জ্বালিয়ে দেন।

মঙ্গলবার লড়াই তীব্র আকার ধারণ করে। ওই অঞ্চলের খেরোনি বাজারে আগুন ধরিয়ে পুরো বাজার ও আশপাশের বহু বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। একাধিক গাড়ি ও মোটরসাইকেল পুড়ে যায়। কারফিউ জারি থাকলেও দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় (Assam violence)।

ওই অঞ্চলে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে। মূলত আদিবাসীদের সঙ্গে বাঙালি ও বিহারীদের এই দ্বন্দ্ব (Two persons were killed, and 45 others, including 38 police personnel, injured as violence rocked West Karbi Anglong district)।

স্থানীয় মানুষের বক্তব্য, বাঙালিদের বাংলাদেশি বলে যে প্রচার গোটা পূর্ব ভারতে চলেছে, তার ফলেই হামলার তীব্রতা বেড়েছে। অঞ্চলের বিহারি শ্রমিকদেরও বক্তব্য, তাঁদের ওপরও কয়েক মাস ধরে হামলা চলছে।

এই বিহারি শ্রমিকেরা বেশ কয়েক বছর ধরে এ অঞ্চলে রয়েছেন। এখানে তাঁরা এখন স্থায়ী বাসিন্দা বলা যায়।

আদিবাসীদের বক্তব্য, তাঁদের সম্প্রদায়ভিত্তিক যে জমি রয়েছে, তাতে বাইরে থেকে এসে লোকজন বসছেন। এর ফলে তাঁদের সম্প্রদায়ভিত্তিক জায়গাজমি বহিরাগতদের হাতে চলে যাচ্ছে। যেখানে এ ঘটনা ঘটেছে, তা পশ্চিম কার্বি আংলংয়ের আদিবাসী–অধ্যুষিত পার্বত্য জেলা। অঞ্চলটি দক্ষিণ আসামের বাঙালি–অধ্যুষিত তিন জেলা হাইলাকান্দি, শ্রীভূমি (করিমপুর) এবং কাছাড়ের ঠিক উত্তরে অবস্থিত। এই অঞ্চলের পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশ সীমান্ত।

জেলার ফেলাঙ্গপি নামক এলাকায় দুই সপ্তাহ ধরে নয়জন আদিবাসী অনশন করছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, বাইরে থেকে এসে যাঁরা বসেছেন, বিশেষ করে সম্প্রদায়ের গরু, মহিষ ইত্যাদি চরানোর জমিতে—তাঁদের সেখান থেকে অবিলম্বে উচ্ছেদ করতে হবে।

Scroll to Top