SC verdict on caste census: বড় ধাক্কা বিরোধিতাকারীদের! সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট বার্তা, ‘অনগ্রসরদের উন্নয়নে জাতিগণনা সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত’
SC verdict on caste census- দেশের পিছিয়ে পড়া মানুষের সঠিক সংখ্যা জানা কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য অত্যন্ত জরুরি। সমাজকল্যাণমূলক পদক্ষেপ (Welfare Measures) গ্রহণের স্বার্থেই এই তথ্যের প্রয়োজন রয়েছে। এই অকাট্য যুক্তি দেখিয়েই দেশে জাতিগণনা বন্ধের আবেদন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট। বলা বাহুল্য, দেশে জনগণনার সঙ্গে যাতে জাতিগত গণনা না হয়, এই মর্মে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জমা পড়েছিল। বুধবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে তা নিয়ে শুনানি হয়। দেশের শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, জাতিগত জনগণনা (Caste Census) করানোর বিষয়টি সম্পূর্ণ সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত (Policy Decision)। এই প্রশাসনিক এক্তিয়ারে (Jurisdiction) আদালত কোনোভাবেই হস্তক্ষেপ করবে না (SC verdict on caste census)।
মূলত, ২০২৭ সালের আসন্ন ডিজিটাল জনশুমারিতে (Digital Census) যাতে কোনোভাবেই জাতিগত তথ্য সংগ্রহ না করা হয়, সেই দাবি তুলে সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা (Public Interest Litigation) দায়ের করা হয়েছিল। আবেদনকারীর মূল আশঙ্কা ছিল, এই সংবেদনশীল জনমিতি সংক্রান্ত তথ্য (Demographic Data) প্রকাশ্যে এলে বিভিন্ন গোষ্ঠী বা সংস্থা তার অপব্যবহার করতে পারে, যা ভবিষ্যতে সামাজিক বিভাজন এবং রাজনৈতিক জটিলতা (Political Complexity) বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। তবে সর্বোচ্চ আদালত এই যুক্তি খারিজ করে দিয়ে জানিয়েছে, দেশের প্রান্তিক ও অনগ্রসর শ্রেণীর (Backward Classes) সার্বিক উন্নয়নের জন্য এবং সঠিক সমাজকল্যাণমূলক রূপরেখা (Welfare Blueprint) তৈরি করতে সরকারের কাছে এই ধরণের নিখুঁত পরিসংখ্যান থাকা অত্যন্ত জরুরি। সঠিক তথ্যের অভাবেই অনেক সময় প্রকৃত রূপায়ণ (Implementation) থমকে যায়।
দীর্ঘদিন ধরেই এই জাতিভিত্তিক জনশুমারি নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে তুমুল টানাপড়েন চলছে। বিরোধী দলগুলির দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন জাতি ও উপজাতির প্রকৃত অর্থনৈতিক ও সামাজিক অনগ্রসরতা (Social Backwardness) পরিমাপ করার জন্য এই সমীক্ষা অপরিহার্য। এর ফলে প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ-সুবিধা এবং সংরক্ষণের (Reservation) আওতার বাইরে থাকা বঞ্চিত প্রান্তিক মানুষকেও মূল স্রোতে ফিরিয়ে এনে সামাজিক সমতা (Social Equality) প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। প্রথম দিকে এই প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রের কিছুটা অনীহা লক্ষ্য করা গেলেও, পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (Ministry of Home Affairs) পক্ষ থেকে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলেছে। শীর্ষ আদালতের এই সবুজ সংকেতের পর ২০২৭ সালের জাতীয় মহাজনগণনা যে এক নতুন সামাজিক ও রাজনৈতিক মোড় নিতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।












