Sharif Osman Hadi হত্যার সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান রাষ্ট্রসংঘ মহাসচিবের
শহিদ হাদির জানাজায় মনুষের ঢল ও ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ইনকিলাব মঞ্চের
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক Sharif Osman Hadi হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অনুসারে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘ সদর দফতরে দেওয়া ব্রিফিংয়ে মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক এ তথ্য জানান।
অন্যদিকে বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ এবং বিপুল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে আজ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহিদ হাদির জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়। এছাড়া দাফন শেষে প্রথমে জানাজার জায়গায় এবং পর শাহবাগ থেকে মি. হাদির খুনিদের বিষয়ে ‘সুনির্দিষ্ট’ তথ্য চেয়ে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়ে কর্মসূচি শেষ করে ইনকিলাব মঞ্চ।
ওসমান হাদিকে দাফন করা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে (Osman Hadi has been buried beside Bangladesh national poet Kazi Nazrul Islam)। দাফনের সময় ওসমান হাদির পরিবারের সদস্য, ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মী, ডাকসু প্রতিনিধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ প্রশাসনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শনিবার বেলা আড়াইটায় ওসমান হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেও দেখা গেছে বিপুল সংখ্যক মানুষ।
নামাজে জানাজা শুরুর আগে দেওয়া বক্তব্যে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের সরকারের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, “ওসমান হাদির হত্যাকারীদের ধরতে কী করেছেন?”
তিনি বলেন, এ বিষয়ে সবার সামনে এসে না জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বখস চৌধুরীকে পদত্যাগ করতে হবে।
অন্যদিকে রাষ্ট্রসংঘের সদর দফতরে দেওয়া ব্রিফিংয়ে দুজারিক জানান, ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড তদের নজরে এসেছে। মহাসচিব এই ঘটনার নিন্দা এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
মহাসচিব বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে আরও বলেন, দেশের নির্বাচন সামনে রেখে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সকল পক্ষকে সহিংসতা থেকে বিরত থাকতে হবে।
তিনি সংশ্লিষ্টদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, উত্তেজনা কমাতে এবং সহিংসতা এড়াতে সকল পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করতে হবে, যাতে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিবেশ বজায় থাকে।












