Subodh Mallick Square: সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারের জমি ফেরাতে উদ্যোগ কলকাতা পুরসভার

ভারত - প্রকাশিত: ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, রাত ১০:১৮

মেট্রোর কাছ থেকে জমি ফিরে পেলে হতে পারে বুস্টার পাম্পিং স্টেশন ও দ্বিতীয় পুর-স্বাস্থ্যকেন্দ্র সংবাদদাতাঃ সুমিত দে

Subodh Mallick Square: সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারের জমি ফেরাতে উদ্যোগ কলকাতা পুরসভার

কলকাতা মেট্রো রেলওয়ে কর্পোরেশন (KMRCL)-এর হাতে থাকা সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারের (Subodh Mallick Square) একটি অংশ ফেরত আনার উদ্যোগ নিল কলকাতা পুরসভা (kmc)। জমিটি ফিরে পেলে সেখানে পানীয় জলের বুস্টার পাম্পিং স্টেশন এবং দ্বিতীয় পুর-স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা স্যাটেলাইট হেল্‌থ সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে পুরসভার (Kolkata Municipality Corporation)। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই চিঠি চালাচালির প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি পুরসভা ও কেএমআরসিএল-এর মধ্যে মৌখিক আলোচনাও হয়েছে।

পুরসভার অধিবেশনে প্রস্তাব, মেয়রের সবুজ সংকেত

সম্প্রতি কলকাতা পুরসভার মাসিক অধিবেশনে ৫১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ইন্দ্রনীল কুমার এই সংক্রান্ত প্রস্তাব পেশ করেন। প্রস্তাবে তিনি মেয়র ফিরহাদ হাকিমের কাছে আবেদন জানান, সেখানে বেশ কয়েকটি  বিষয়ে উল্লেখ করেছেন। সেগুলো হল- ১) ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের জন্য নেওয়া জমি ফেরত আনা হোক ২) এলাকায় পানীয় জলের ঘাটতি মেটাতে বুস্টার পাম্পিং স্টেশন তৈরি করা হোক ৩) স্বাস্থ্য পরিষেবা জোরদার করতে দ্বিতীয় পুর-স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তোলা হোক

এই প্রস্তাবের পরেই মেয়র জমি ফেরানোর বিষয়ে উদ্যোগী হন বলে পুরসভা সূত্রে খবর। এই প্রস্তাব সফল হলে,  প্রায় ১০ বছর পর পুরসভার হাতে ফিরতে পারে জমি। এই প্রসঙ্গে, এক পুর আধিকারিক জানিয়েছেন, জমিটি ফেরত পাওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক ভাবে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। প্রায় এক দশক পর সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারের একাংশ ও সংলগ্ন এলাকা আবার পুরসভার হাতে আসতে পারে।

উল্লেখ্য, ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের জন্য কলকাতা পুরসভার কাছ থেকে সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারের একাংশের পাশাপাশি পাশের স্পোর্টস ক্লাব ও বক্সিং রিংয়ের জমি নেওয়া হয়েছিল। ঐতিহাসিক এই ক্লাবের সূচনা হয়েছিল ১৯২৭ সালে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর হাত ধরে।

ভেন্টিলেশন স্যাফ্ট এখন অব্যবহৃত

প্রথমে সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারে শিয়ালদহ ও এসপ্ল্যানেডের মধ্যে একটি আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা থাকলেও পরে সেই সিদ্ধান্ত বদলে সেখানে একটি ভেন্টিলেশন স্যাফ্ট তৈরি করা হয়। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে যাত্রী উদ্ধারের কথা মাথায় রাখা হলেও, পরে মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানায়—এটি মূলত বাতাস চলাচলের কাজেই ব্যবহৃত হবে। বর্তমানে মেট্রো রুট পুরোপুরি চালু হয়ে যাওয়ায় ওই ভেন্টিলেশন স্যাফ্ট কার্যত অব্যবহৃত। কেএমআরসিএল ইতিমধ্যেই জায়গাটি খালি করায় পুরসভা জমিটি ফেরত নিতে চাইছে।

জমি পেলেই পরিষেবা পরিকল্পনা

পুরসভা সূত্রে জানানো হয়েছে, জমি হাতে এলেই পানীয় জল ও স্বাস্থ্য পরিষেবা সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রকল্প পরিকল্পনা করা হবে। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি মেটাতে এই উদ্যোগকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে পুরসভা।

Scroll to Top