🔴 লাইভ আপডেট
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ১৮:৩৬
শেষ হলো রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন
নির্ধারিত সময়ে শেষ হলো রাজ্যের দ্বিতীয় ও শেষ দফার নির্বাচন। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে রাজনৈতিক সংঘর্ষের থেকে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠিচার্জের ঘটনা উঠে এসেছে। জমায়েত দূর করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী একাধিক জায়গায় লাঠিচার্জ করে। তৃণমূলের দাবি, সাধারণ ভোটার, এমনকী মহিলাদের মারধর করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ১৮:৩৬
বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার
দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৮৯.৯৯ শতাংশ। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে প্রথম দফায় পড়েছিল ৮৯.৯৩ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম কলকাতা দক্ষিণে। ভোটগ্রহণ শেষ হতে এখনও এক ঘণ্টা বাকি। সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হবে ভোটগ্রহণ।
চলতি বছর বিধানসভা ভোটে অসমে ভোট পড়েছে ৮৫.৩৮ শতাংশ। পুদুচেরিতে ভোটদানের হার ছিল চলতি বিধানসভা নির্বাচনে ৮৯.৯৩ শতাংশ। সন্ধ্যা ৬টায় দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষ হলে জানা যাবে এ রাজ্যের গড় ভোটগ্রহণের হার।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ১৮:৩৫
আসনভিত্তিক ভোটের হার বিকেল ৫টা পর্যন্ত
কমিশনের পরিসংখ্যান অনুসারে, দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে হাড়োয়ায়, ৯৪.৫ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে রাজারহাট গোপালপুর কেন্দ্রে। সেখানে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটের হার ৮২.১৮ শতাংশ। ভবানীপুরে ভোট পড়েছে ৮৫.৫১ শতাংশ। ভাঙড়ে ভোট পড়েছে ৮৮.১৪
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ১৬:৩২
দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোটদানের হার
দুপুর ৩টে পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় ভোটদানের হার ৭৮.৬৮ শতাংশ। প্রথম দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়ল পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম ভোটদানের হার কলকাতা দক্ষিণে।
দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোটদানের হারও ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় অনেকটা বেশি। সে বার লোকসভা ভোট সাত দফায় হয়েছিল রাজ্যে। দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৫৯ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যে। ওই সময়ে লোকসভা নির্বাচনে ভোটদানের সর্বোচ্চ হার ছিল ষষ্ঠ দফায়— ৭০.২ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছিল সপ্তম দফায়। সেখানে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৫৮.৫ শতাংশ।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ১৬:৩১
আসনভিত্তিক ভোটের হার দুপুর ৩টে পর্যন্ত
কমিশন বলছে, আসনভিত্তিক ভোটের হারে শীর্ষে রয়েছে গলসি। সেখানে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৫.১১ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোটের হার মহেশতলায়, ৭০.১ শতাংশ। ভবানীপুর আসনে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোটের হার ৭৫.৬৬ শতাংশ।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ১৪:৩৬
সাতগাছিয়ায় বাহিনীর লাঠি চার্জে আহত এক শিশু!
দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোটদানের হার ৩৯.৯৭ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে। সেখানে ভোটের হার ৪৪.৫০ শতাংশ। কলকাতা দক্ষিণে ভোট পড়েছে ৩৬.৭৮ শতাংশ।
২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় এই হার অনেকটাই বেশি। লোকসভা ভোট হয়েছিল সাত দফায়। ওই সাত দফার মধ্যে সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটদানের সর্বোচ্চ হার ছিল ষষ্ঠ দফায়, ৩৬.৯ শতাংশ। সর্বনিম্ন ভোটদানের হার ছিল সপ্তম দফায়। ওই দফায় সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটের হার ছিল রাজ্যে ২৮.১ শতাংশ।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ১৪:৩৬
১টা পর্যন্ত ভোটদানের হার
সকাল ১১টা পর্য়ন্ত ১৪২টি আসনের মধ্যে ভোটের হার সর্বোচ্চ গলসিতে। সেখানে ভোট পড়েছে ৪৭.৮৬ শতাংশ। তার পরেই রয়েছে মন্তেশ্বর। সেখানে ভোটের হার ৪৬.৮৩ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোটের হার মহেশতলায়— ৩৩.৫ শতাংশ। ভবানীপুরে সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটের হার ৩৭.২৭।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ১৪:৩৫
আসনভিত্তিক ভোটের হার দুপুর ১টা পর্যন্ত
২০২৬ সালে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর পর দ্বিতীয় দফার এই ১৪২টি আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ২১ লক্ষ ৭৫ হাজার ২৯৯। তার মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১ কোটি ৬৪ লক্ষ ৭৪ হাজার ৩০৬ এবং মহিলা ভোটার রয়েছেন ১ কোটি ৫৭ লক্ষ ৪০ হাজার ২১৬২ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৭৯২ জন।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ১৪:৩৪
দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৬১.১১%
দ্বিতীয় দফার ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে তফসিলি জাতি (এসসি)-র জন্য সংরক্ষিত রয়েছে ৩৪টি আসন এবং তফসিলি জনজাতি (এসটি)-র জন্য সংরক্ষিত রয়েছে একটি আসন। আয়তনে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র জোড়াসাঁকো, সবচেয়ে বড় কল্যাণী। তবে ভোটারের সংখ্যার ভিত্তিতে সবচেয়ে বড় কেন্দ্র হুগলি জেলার চুঁচুড়া। সেখানে ২.৭৫ লক্ষ ভোটার রয়েছেন। ভোটারের সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া। এই কেন্দ্রে ১.১৭ লক্ষ ভোটার রয়েছেন।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ১১:৫৮
সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটদানের হার
পশ্চিমবঙ্গে ভোটদানের বাড়তি হার দ্বিতীয় দফাতেও অব্যাহত। বুধবার রাজ্যের সাত (দুই কলকাতাকে আলাদা ধরলে আট) জেলার ১৪২ আসনে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ১৮.৩৯ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোটদানের হার পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম দক্ষিণ কলকাতায়। প্রথম দু’ঘণ্টার ভোটদানের হারে দ্বিতীয় দফা সামান্য পিছিয়ে থাকল প্রথম দফার তুলনায়। প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ১৮.৭৬ শতাংশ।
তবে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সাত দফাতে সকাল ৯টা পর্যন্ত যে ভোটদানের হার ছিল, তার থেকে এ বারের দুই দফাই অনেকটা এগিয়ে।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ১১:৫৫
আসনভিত্তিক ভোটের হার সকাল ১১টা পর্যন্ত
কমিশনের তথ্য অনুসারে, সকাল ৯টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনের মধ্যে ভোটের হার সবচেয়ে বেশি মন্তেশ্বরে— ২২.৫৩ শতাংশ। তার পরেই রয়েছে গলসি। সেখানে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোটের হার ২২.৪৯ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে মহেশতলায়— ১৪.৯০ শতাংশ। ভাঙড়ে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোটের হার ১৫.১৯ শতাংশ। ভবানীপুরে ভোট পড়েছে ১৭.০৮ শতাংশ।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ১০:৩৮
ভোটারের সংখ্যা
খিদিরপুর হনুমান মন্দির এলাকায় বুথ পরিদর্শন করে খুশি, ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ‘আগে এখানে লোকে ভয়ে ভোট দিতে পারত না। এখন পারছে। এর জন্য ধন্যবাদ নির্বাচন কমিশনকে।’
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ১০:৩৮
আসনের পরিসংখ্যান
মধ্য হাওড়া বিধানসভা কেন্দ্রের ১৯৫ নম্বর বুথে ইভিএম-এ সমস্যা। প্রায় এক ঘণ্টা ভোটগ্রহণ বন্ধ। বুথের সামনে ভোটারদের লম্বা লাইন।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ১০:৩৭
সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোটের হার
দ্বিতীয় দফার ভোটে পুলিশ জেলা ভিত্তিক বাহিনী মোতায়েন চূড়ান্ত করল কমিশন। সেই অনুযায়ী—
বারাসত পুলিশ জেলায় মোতায়েন ১১২ কোম্পানি
বনগাঁ পুলিশ জেলায় ৬২ কোম্পানি
বসিরহাট পুলিশ জেলায় থাকছে ১২৩ কোম্পানি
বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট ৫০ কোম্পানি,
ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট-এ থাকবে ১৬০ কোম্পানি
সুন্দরবন পুলিশ জেলায় থাকছে ১১৩ কোম্পানি
বারুইপুর পুলিশ জেলায় মোতায়েন ১৬১ কোম্পানি
ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় ১৩৫ কোম্পানি
হাওড়া গ্রামীণে থাকছে ১৪৭ কোম্পানি,
হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট-এ ১১০ কোম্পানি
কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলায় ১৫৮ কোম্পানি বাহিনী
রানাঘাট পুলিশ জেলায় ১২৭ কোম্পানি,
চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটে মোতায়েন ৮৩ কোম্পানি
হুগলি গ্রামীণে ২৩৪ কোম্পানি,
পূর্ব বর্ধমানে থাকছে ২৬০ কোম্পানি,
আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে ১৩ কোম্পানি
এ ছাড়া কলকাতা পুলিশের অধীনে মোতায়েন ২৭৩ কোম্পানি বাহিনী
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ১০:৩৬
আসনভিত্তিক ভোটের হার সকাল ৯টা পর্যন্ত
ভোটের আগে করিমপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সেজাজুল হক শাহ্ মিঠুর বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তল্লাশি। তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে একাধিক নির্বাচনে ভোট প্রভাবিত করার অভিযোগ রয়েছে।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ০৯:১৩
খিদিরপুরে ভোট পরিদর্শনে শুভেন্দু
ভোটের দিন অভিযোগ জানানোর জন্য টোল ফ্রি নম্বর চালু করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। টোল ফ্রি নম্বরটি হলো— ১৮০০৩৪৫০০৮। সিইও মনোজকুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, কোথাও কেউ কোনও হুমকির মুখে পড়লে অভিযোগ জানাতে পারবেন এই নম্বরে। অভিযোগ এলেই তৎক্ষণাৎ ফোর্স পাঠানো হবে। যে সমস্ত জায়গায় ক্লোজ় মনিটরিংয়ের প্রয়োজন, তা-ও করা হবে। ভোটারদের ভয় দেখানো বা কোনও বেআইনি কাজ হলে, কড়া ব্যবস্থা নেবে কমিশন।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ০৯:১২
মধ্য হাওড়া বিধানসভা কেন্দ্রের ১৯৫ নম্বর বুথে ইভিএম-এ সমস্যা
দ্বিতীয় দফা ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগেই দিকে দিকে অশান্তি শুরু। চাপড়ার ৫৩ নম্বর বুথের বিজেপি এজেন্টের মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আহত কর্মীকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ০৭:০৪
দ্বিতীয় দফার ভোটে মোতায়েন ২৩২১ কোম্পানি বাহিনী
দ্বিতীয় দফার ভোটে পুলিশ জেলা ভিত্তিক বাহিনী মোতায়েন চূড়ান্ত করল কমিশন। সেই অনুযায়ী—
বারাসত পুলিশ জেলায় মোতায়েন ১১২ কোম্পানি
বনগাঁ পুলিশ জেলায় ৬২ কোম্পানি
বসিরহাট পুলিশ জেলায় থাকছে ১২৩ কোম্পানি
বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট ৫০ কোম্পানি,
ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট-এ থাকবে ১৬০ কোম্পানি
সুন্দরবন পুলিশ জেলায় থাকছে ১১৩ কোম্পানি
বারুইপুর পুলিশ জেলায় মোতায়েন ১৬১ কোম্পানি
ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় ১৩৫ কোম্পানি
হাওড়া গ্রামীণে থাকছে ১৪৭ কোম্পানি,
হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট-এ ১১০ কোম্পানি
কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলায় ১৫৮ কোম্পানি বাহিনী
রানাঘাট পুলিশ জেলায় ১২৭ কোম্পানি,
চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটে মোতায়েন ৮৩ কোম্পানি
হুগলি গ্রামীণে ২৩৪ কোম্পানি,
পূর্ব বর্ধমানে থাকছে ২৬০ কোম্পানি,
আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে ১৩ কোম্পানি
এ ছাড়া কলকাতা পুলিশের অধীনে মোতায়েন ২৭৩ কোম্পানি বাহিনী
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ০৭:০৪
কেন্দ্রীয় বাহিনীর তল্লাশি
ভোটের আগে করিমপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সেজাজুল হক শাহ্ মিঠুর বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তল্লাশি। তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে একাধিক নির্বাচনে ভোট প্রভাবিত করার অভিযোগ রয়েছে।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ০৭:০৩
অভিযোগ জানাতে টোল ফ্রি নম্বর চালু কমিশনের
ভোটের দিন অভিযোগ জানানোর জন্য টোল ফ্রি নম্বর চালু করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। টোল ফ্রি নম্বরটি হলো— ১৮০০৩৪৫০০৮। সিইও মনোজকুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, কোথাও কেউ কোনও হুমকির মুখে পড়লে অভিযোগ জানাতে পারবেন এই নম্বরে। অভিযোগ এলেই তৎক্ষণাৎ ফোর্স পাঠানো হবে। যে সমস্ত জায়গায় ক্লোজ় মনিটরিংয়ের প্রয়োজন, তা-ও করা হবে। ভোটারদের ভয় দেখানো বা কোনও বেআইনি কাজ হলে, কড়া ব্যবস্থা নেবে কমিশন।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ০৭:০৩
চাপড়ায় আক্রান্ত ISF এজেন্ট
দ্বিতীয় দফা ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগেই দিকে দিকে অশান্তি শুরু। চাপড়ার ৫৩ নম্বর বুথের বিজেপি এজেন্টের মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আহত কর্মীকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে
লাইভ আপডেট শেষ
WB Election Phase 2- বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের পারদ চড়ছে। প্রথম দফার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার নজর কাড়ছে দ্বিতীয় দফার ভোটযুদ্ধ। এই দফায় লড়াই কেবল আসন দখলের নয়, বরং প্রেস্টিজ ফাইট বা অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। একদিকে শাসকদলের হেভিওয়েট মন্ত্রীদের দুর্গ রক্ষার পরীক্ষা, অন্যদিকে বিজেপির তারকা ও দাপুটে নেতাদের এলাকা দখলের মরিয়া চেষ্টা (WB Election Phase 2)। তবে সব ছাপিয়ে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে এখন ভবানীপুর। যেখানে খোদ মুখ্যমন্ত্রী বনাম বিরোধী দলনেতার দ্বৈরথ বঙ্গ রাজনীতির সমীকরণকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গিয়েছে।
ভবানীপুরে মমতা বনাম শুভেন্দু: মেগা ফাইট
দ্বিতীয় দফার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কলকাতার ভবানীপুর কেন্দ্র। এখানে খোদ মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামে প্রথম দফার লড়াই শেষ করে শুভেন্দু এবার নজর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর খাসতালুক হিসেবে পরিচিত ভবানীপুরে। এই কেন্দ্রটির দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা দেশের রাজনৈতিক মহল।
ভাঙড় ও ক্যানিংয়ে আইএসএফ ফ্যাক্টর
তৃণমূল ও বিজেপির দ্বৈরথের মাঝে আলোচনার শিরোনামে রয়েছে ভাঙড় এবং ক্যানিং পূর্ব আসন। ভাঙড়ে আইএসএফ প্রধান নওশাদ সিদ্দিকী নিজের গড় ধরে রাখতে মরিয়া। অন্যদিকে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে তৃণমূল ছেড়ে আইএসএফে যোগ দেওয়া ‘তাজা’ নেতা আরাবুল ইসলাম এবার ক্যানিং পূর্ব থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভাঙড়ে তৃণমূলের হয়ে লড়ছেন শওকত মোল্লা, যা এই অঞ্চলের লড়াইকে ত্রিমুখী উত্তেজনায় পৌঁছে দিয়েছে।
শাসক দলের হেভিওয়েট ও তারকা প্রার্থীরা
তৃণমূল কংগ্রেস এই দফায় তাদের একাধিক বিদায়ী মন্ত্রী ও অভিজ্ঞ নেতাদের ময়দানে নামিয়েছে। কলকাতা বন্দর থেকে ফিরহাদ হাকিম, টালিগঞ্জ থেকে অরূপ বিশ্বাস এবং শ্যামপুকুর থেকে শশী পাঁজা লড়ছেন। বিশেষভাবে নজর রয়েছে বেলেঘাটা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষের ওপর। এছাড়াও কামারহাটিতে মদন মিত্র, হাবড়ায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং বারাকপুরে তারকা প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীর ভাগ্য পরীক্ষা হবে এই দফায়।
বিজেপির তারকা ও দাপুটে মুখ
বিরোধী শিবির বিজেপির হয়ে মাঠে রয়েছেন একাধিক পরিচিত মুখ। মানিকতলা কেন্দ্রে তাপস রায়, নোয়াপাড়ায় অর্জুন সিং এবং রাসবিহারীতে স্বপন দাশগুপ্তের লড়াই নজরকাড়া। দক্ষিণ কলকাতার সোনারপুর দক্ষিণ আসনে প্রার্থী হয়েছেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। পাশাপাশি বরানগর থেকে সজল ঘোষ এবং শ্যামপুর থেকে হিরণ চট্টোপাধ্যায় লড়াইয়ের ময়দানে পদ্ম শিবিরের অন্যতম সেনাপতি।
সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দফার এই ভোটযুদ্ধ আদতে এক মহাযুদ্ধের রূপ নিয়েছে। ভবানীপুরের প্রেস্টিজ ফাইট থেকে শুরু করে ভাঙড়ের ত্রিমুখী লড়াই—প্রতিটি আসনেই জনমতের চোরাস্রোত কোন দিকে বয়, সেটাই এখন দেখার। একদিকে তৃণমূলের উন্নয়ন ও অভিজ্ঞতার চেনা মুখ, অন্যদিকে বিজেপি ও আইএসএফ-এর আগ্রাসী চ্যালেঞ্জ। একদিকে তারকা প্রার্থীদের গ্ল্যামার, অন্যদিকে পোড়খাওয়া রাজনীতিকদের সাংগঠনিক শক্তি। এই দফায় ভোটারদের রায় কেবল প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে না, বরং পরবর্তী দফার লড়াইয়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বাতাবরণও তৈরি করে দেবে। এখন দেখার, শেষ হাসি কে হাসে—ঘাসফুল, পদ্ম নাকি জোটের লাল-সবুজ সমীকরণ।