ভোটাধিকার কেউ আপনার থেকে কাড়তে পারবে না: Abhisekh bandopadhyay
উমার ফারুক ,হরিশ্চন্দ্রপুর: মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর তুলসীহাটা চুরিপট্টি মোড় থেকে ভবানীপুর ব্রিজ মোড় এলাকায় সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের সেনাপতি সাংসদ Abhisekh bandopadhyay মেগা রোড শো করেন। তাঁর রোড শোয়ে জনতার ঢল নামে তৈরি হয় জনসমুদ্র।
এদিন রোড শোয়ে তাঁর সঙ্গে ছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুর ও চাঁচল বিধানসভার দলীয় প্রার্থী মতিবুর রহমান ও প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বিদায়ী বিধায়ক তাজমুল হোসেন সহ দলের নেতাকর্মীরা। রোড শো শেষে তৃণমূল কংগ্রেসের সেনাপতি সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জনতার উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত এবার মালদায় বহিরাগত জমিদারদের বিদায় আসন্ন। আজকের এই সভার ছবিগুলো দেখার পর যারা মালদার মানুষকে এসআইআর করে তাদের নাম ভোটার লিস্টের বাইরে রেখে তাদের মৌলিক অধিকার কাড়তে চেয়েছিল তাদের আগামী এক মাস ঘুম বন্ধ হয়ে যাবে।
তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, আজকে খালি ট্রেলারটা দেখালাম, খুঁটি পুজোটা আজকে করলাম, চার তারিখ দশমী হবে। চার তারিখ যখন ভোট বাক্সো খুলবে তখন পদ্মফুলের নেতারা চোখে সর্ষে ফুল দেখবে। এখানে যারা এসআইআর এর নামে চিন্তায় আছেন আমি আপনাদের বলি কেউ অযথা চিন্তিত হবেন না বা ভয় ভীত, আতঙ্কিত হবেন না। তৃণমূল আজীবন আপনাদের পাশে থাকবে। আপনাদের ভোটাধিকার কেউ আপনার থেকে কাড়তে পারবে না, কারো বাবার সম্পত্তি নয়। আমরা কি খাবো কি পড়ব, কার সাথে কথা বলব এটা দিল্লির বহিরাগতরা ঠিক করবে না। এই মাটি আমাদের সকলের।
সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এসআইআর ইস্যু নিয়ে বলেন,চাঁচল এবং হরিশ্চন্দ্রপুর মিলিয়ে প্রায় ১ লক্ষ ৮০হাজার লোককে বিচারাধীন রেখেছিল নির্বাচন কমিশন এবং জ্ঞানেশ কুমার। এদেরকে জবাব দিতে হবে। যদি কোথাও কোন বহিরাগত নেতাদের ২১তারিখের পর দেখেন। এলাকা ঘিরবেন, প্রতিরোধের রাস্তা বেছে নেবেন ।কোনও বিহার ও ইউপির নেতাদের মালদার মাটিতে জায়গা নেই। অত্যন্দ্র প্রহরী ন্যায় বুথ রক্ষা করতে হবে।
তিনি বলেন মালদা মুর্শিদাবাদের মানুষের উপর যে অত্যাচার করেছে সুদে আসলে তার জবাব ৪তারিখের পর আমি দিব । আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি, এ দায়িত্ব আমার। কেন উত্তেজিত হচ্ছ? তোমায় ডিএনএ দিতে হবে না রক্ত দিতে হবে না। আমরা আছি তো রে ভাই। তোমাদের কিছু হওয়ার আগে আমার মৃতদেহ পেরিয়ে যেতে হবে। আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি। আমি দাঁড়িয়ে থাকব,কেউ থাকুক না থাকুক।
সেইসঙ্গে তিনি রাজ্যে সরকারের উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরে বলেন,চাঁচল মহকুমা ভবন হয়েছে,সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা অনুযায়ী লক্ষীর ভাণ্ডার আজীবন পাবেন। যতদিন তৃণমূল কংগ্রেস থাকবে ততদিন লক্ষীর ভাণ্ডার আজীবন পাবেন। প্রত্যেক বাড়িতে নল বাহিত পানীয় জল সরবরাহ করা হবে পাঁচ বছরের মধ্যে।












