Israel-Iran conflict: একাই ইরানে হামলা চালাবে ইসরাইল
Israel warns Trump: ইসরাইলের কোথায় কোথায় হামলা চালাবে জানাল ইরান?
দিন প্রতিদিন ইরান হুমকিস্বরূপ হয়ে দাঁড়িয়েছে (Israel-Iran conflict)। বিশেষ করে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ইসরাইলের অস্তিত্বের জন্য সরাসরি হুমকি। তাই প্রয়োজনে জেরুসালেম এককভাবেই ইরানে হামলা চালাবে। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম জেরুসালেম পোস্টের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
দখলদার ইসরাইলি প্রতিরক্ষা (Israel-Iran conflict) কর্মকর্তারা সম্প্রতি তাদের মার্কিন সমকক্ষদের জানিয়েছেন যে, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি তাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি। এ ক্ষেত্রে তারা একটি ‘রেড লাইন‘ বা লাল রেখা দিয়েছে। সেই সীমা অতিক্রম করলে প্রয়োজনে এককভাবে পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত জেরুসালেম।
এদিকে ইরান এই প্রসঙ্গে জানিয়েছে, আপনারা শুরু করলে শেষটা আমরা করব’; ইরানের রাজধানী তেহরানে এমন কড়া হুঁশিয়ারি লেখা ব্যানার টাঙানো হয়েছে। তেল আবিব ও বেন-গুরিয়ন বিমানবন্দরসহ ইসরাইলের একাধিক কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দেখানো হয়েছে তাতে।
ফিলিস্তিন স্কয়ারে প্রদর্শিত এই মানচিত্রটি মূলত আমেরিকা ও ইসরাইলের প্রতি ইরানের শক্তিশালী সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা আরও বাড়ছে।
ইরানে প্রদর্শিত এই মানচিত্রে কেন্দ্রীয় ইসরাইলের বেশ কিছু স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইসরাইল প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দফতর কিরিয়া, গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা কেন্দ্র এবং হার্জলিয়া এলাকার প্রধান সামরিক স্থাপনাগুলো।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই মানচিত্র থেকে জেরুসালেমকে পুরোপুরি বাদ দিয়ে শুধুমাত্র প্রধান সামরিক ও বেসামরিক কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। ব্যানারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং একটি লাল রঙের ফায়ার বাটনের ছবি ব্যবহার করে তেহরান তাদের সামরিক সক্ষমতা ও যুদ্ধের প্রস্তুতির জানান দিয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের সম্পর্কের চরম অবনতির প্রেক্ষাপটে এই প্রকাশ্য হুমকি সামনে এলো। ইরান বারবার হুঁশিয়ার করছে, তাদের ভূখণ্ডে যেকোনও ধরনের উসকানি বা হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
তেহরানের নেতাদের মতে, এই ধরনের জনসমক্ষে প্রদর্শিত ব্যানার বা মানচিত্র আসলে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক প্রতিরোধ। তারা বিশ্বকে এই বার্তাই দিতে চাইছে, যেকোনো সম্ভাব্য যুদ্ধের পরিস্থিতিতে ইরান সরাসরি ইসরাইলের অভ্যন্তরে শক্তিশালী আঘাত হানতে সক্ষম।











