Ramadan Tarawih Prayers: একাধিক বিধিনিষেধের মধ্যেই প্রথম তারাবিহ সম্পন্ন আল-আকসায়

আন্তর্জাতিক - প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মধ্যরাত ১:৪৭

Tarawih Prayers at Al-Aqsa Mosque: পুরো এলাকা জুড়ে ইসরাইলি পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

33A7629044FDEC65F4871ECB4DDBADAF low

একাধিক বিধিনিষেধের মধ্যেই প্রথম তারাবিহ সম্পন্ন আল-আকসায় (Ramadan Tarawih Prayers) । হাজার হাজার ফিলিস্তিনি এদিন প্রথম তারাবিহ নামাজ আদায় করেন। এ সময় পুরো এলাকা জুড়ে ইসরাইলি পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রত্যক্ষদর্শীরা সংবাদ মাধ্যমে জানান, মুসল্লিরা মসজিদের মূল হলরুম এবং উন্মুক্ত চত্বরগুলোতে ভিড় জমান। আল-আকসা মসজিদের খতিব শেখ ইউসুফ আবু স্নেইনাহ এশার ও তারাবিহ নামাজের ইমামতি করেন। সোস্যাল সাইটে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিয়োতে দেখা গেছে, নামাজ চলাকালীন ইসরাইলি পুলিশ সদস্যরা কম্পাউন্ডের ভেতরে অবস্থান নিয়ে মুসল্লিদের মাঝে টহল দিচ্ছে (Ramadan Tarawih Prayers)।

এর আগে দিনের শুরুতে জেরুসালেম এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ মুহাম্মদ হোসেন ঘোষণা করেন, বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে পবিত্র রমযান মাস শুরু হবে। তিনি নিশ্চিত করেন যে, ইসলামি শরীয়াহ মোতাবেক রমযানের চাঁদ দেখা গেছে। যা ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারিকে হিজরি ১৪৪৭ সনের ১লা রমযান হিসেবে সাব্যস্ত করে।

অধিকৃত পূর্ব জেরুসালেমে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা, বিশেষ করে ওল্ড সিটি এবং আল-আকসা প্রাঙ্গণে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গ্রেফতার এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও কর্মীদের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপটে এই নামাজ অনুষ্ঠিত হলো।

ইউরো-মেডিটেরিনিয়ান হিউম্যান রাইটস মনিটর জানিয়েছে যে, রমযানকে কেন্দ্র করে পূর্ব জেরুসালেমসহ পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বিধিনিষেধ আরও জোরদার করা হয়েছে, যা উপাসনালয়ে প্রবেশের অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করছে।

জেরুসালেম গভর্নরেটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনিদের আল-আকসায় প্রবেশে বাধা দিয়ে ২৫০টিরও বেশি আদেশ জারি করা হয়েছে।

RAMADAN MUBARAK: খোশ আমদেদ মাহে রমযান

গভর্নরেট আরও জানায়, সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় আল-আকসা মসজিদের ইমাম শেখ মুহাম্মদ আল-আব্বাসিকে আটক করে ইসরাইলি পুলিশ। পরে তাকে মুক্তি দেওয়া হলেও মসজিদে প্রবেশের ওপর এক সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়, যা পরবর্তীতে বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।

২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর গাজায় সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে ইসরাইল পূর্ব জেরুসালেমসহ পশ্চিম তীরে তাদের তৎপরতা তীব্রতর করেছে। ফিলিস্তিনিরা এই হত্যাকাণ্ড, গ্রেফতার, উচ্ছেদ এবং বসতি সম্প্রসারণের ক্রমবর্ধমান ধারাকে ওই ভূখণ্ড আনুষ্ঠানিকভাবে দখল বা সংযুক্ত করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।

Scroll to Top