humayun Kabir -এর সঙ্গে জোট ভাঙল ওয়াইসির দল
Rs 1,000 crore from BJP: বিজেপির সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ভিডিয়ো ভাইরাল
humayun Kabir -এর আম জনতা উন্নয়ন পার্টির সঙ্গে জোট ভাঙল আসাদউদ্দিন ওয়াইসির AIMIM। ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সঙ্গে ১০০০ কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেসের বহিষ্কৃত বিধায়ক (humayun Kabir) হুমায়ুন কবিরের নতুন দল আমজনতা উন্নয়ন পার্টির সঙ্গে জোট ভাঙার ঘোষণা দিয়েছে মিম। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে দলটি।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজেপির সঙ্গে কবিরের ১০০০ কোটি রুপি লেনদেনের একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে মিম এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানায় দলটি। বলা বাহুল্য, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় অযোধ্যার বাবরি মসজিদের আদলে একটি নতুন মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে প্রশংসিত হন হুমায়ূন কবির। একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনীতি করতেন। দলটির বিধায়কও ছিলেন তিনি, কিন্তু বাবরি মসজিদ ইস্যুতে তৃণমূল তাকে সাসপেন্ড করে। পরে তিনি নিজেই ‘আমজনতা উন্নয়ন পার্টি’ প্রতিষ্ঠা করেন। তার এই দলের সাথেই ওয়াইসির দল জোটবদ্ধ নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিলো, কিন্তু সাম্প্রতিক ওই ভিডিয়ো নতুন মোড় তৈরি করেছে।
যদিও এই ভিডিয়োকে এইআই নির্মিত বলে দাবি করেছেন কবির। সঙ্গে তিনি এটিও দাবি করেন যে, বিরোধীরা এটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রচার করছে। মিমের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় হুমায়ূনের দলের সঙ্গে জোট ভাঙার কথা জানিয়ে বলা হয়, ‘বাংলার মুসলিমরা দেশের মধ্যে সবচেয়ে দরিদ্র, অবহেলিত এবং নিপীড়িত। কয়েক দশক ধরে ধর্মনিরপেক্ষ শাসনে থাকা সত্ত্বেও তাদের জন্য কেউ কিছু করেনি। কোনো উন্নয়ন হয়নি। যেকোনো রাজ্যে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে সর্বভারতীয় মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীনের (এআইএমআইএম) নীতি হলো, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যেন একটি স্বাধীন রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর পায়। কিন্তু সেখানে আমজনতা উন্নয়ন পার্টি যেরকম আবেগ নিয়ে খেলেছে এবং মুসলমানদের বোকা বানাতে চেয়েছে, কবিরের এরকম বক্তব্যকে সমর্থন করে না মিম।’ মিমের তরফ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, এবারের নির্বাচনে তারা পশ্চিমবঙ্গে এককক এবং স্বাধীনভাবে লড়বে। আগামী দিনেও যে একক লড়াই করাই তাদের লক্ষ্য হতে চলেছে সে ইঙ্গিতও দিয়ে রেখেছেন ওয়াইসি।
মূলত ওয়াইসির দলের ওপর এমনিই বিজেপির বি টিম তকমা লেগে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে হুমায়ূনের দলংসঙ্গে থাকলে গোটা দেশেই রাজনৈতিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন ওয়াইসি, তেমনটি ভেবেই তার দল নতুন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।











