Nari Choritro Bejay Jotil ‘ভগবান পৃথিবীর সমস্ত জটিল মহিলাদের সরল বানিয়ে দাও’
আর্জি জানাতেই থাপ্পড় খেলেন অভিনেতা অঙ্কুশ, কিন্তু কেন?
ভগবান পৃথিবীর সমস্ত জটিল মহিলাদের সরল বানিয়ে দাও’ (Nari Choritro Bejay Jotil)। কাতর আর্জি জানালেন অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা (Ankush Hazra)। শুধু তাই নয়, কথার জন্য থাপ্পড় পযর্ন্ত আমি খেতে হয়েছে অভিনেতাকে।
কিন্তু ঘটনা কি ? হঠাৎ কেন নারীদের নিয়ে পড়লেন অভিনেতা? কেনই এত অভিযোগ ? কেনই বা দিন দুপুরে থাপ্পড় খেলেন তিনি? আসলে খুব শীঘ্রই মুক্তি পাচ্ছে সুমিত – সাহিল (director duo Sumeet-Saahil) পরিচালিত নতুন ছবি ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’(Nari Choritro Bejay Jotil)। অঙ্কুশ হাজরা অভিনীত চলচ্চিত্রটি আগামী ৯ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে । বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর সকালে প্রকাশ্যে আসে অঙ্কুশ হাজরা এবং ঐন্দ্রিলা সেন অভিনীত ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’ –এর টিজার।
কোনও এক সময় উত্তম কুমার (uttam kumar) বলে গিয়েছিলেন, নারী চরিত্র বেজায় জটিল। তারপর থেকে মাঝে মধ্যেই লোকমুখে উক্ত কথাটি শোনা যায়। যদিও কথাটি নেহাত মজা করেই বলা হয়। এবার এই একটি বাক্যের শব্দটিকে ঘিরেই গোটা ছবি তৈরি করে ফেললেন অঙ্কুশ হাজরা। এদিন সংশ্লিষ্ট সিনেমারই টিজার রিলিজ হয়েছে। আর তাতেই পেটে খিল ধরালেন অভিনেতা-প্রযোজক। যাতে মেয়েদের মন বুঝতে অপারগ ঝন্টুর চরিত্রে ধরা দিলেন অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা।
ছবির টিজারে অঙ্কুশকে (ankush hazra) দেখা যাচ্ছে বেজায় হাস্যকর একটি অবস্থায়। দেখা যাচ্ছে গঙ্গাপাড়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তিনি। আর আর্জি জানাচ্ছেন যাতে পৃথিবীর সমস্ত জটিল নারীকে সরল বানিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তার মতো সরল পুরুষরা একটু শান্তি পাবেন, আর কী। কেবল গঙ্গা নয়, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দেবী কালীর কাছেও এই একই প্রার্থনা করছেন তিনি। এই ‘আবদার’ জানানোর সময় পাশে থাকেন তাঁর বন্ধু দেবরাজ ভট্টাচার্য। যদিও দেবরাজ অঙ্কুশকে সাবধান করে বলেন , সে যার কাছে এই প্রার্থনা জানাচ্ছেন তিনিও খোদ মহিলা। এই কথা বলতে না বলতেই, ছবি থেকে বেরিয়ে আসেন দেবী কালী। আর কি? উক্ত কথার জন্য নায়ককে কষিয়ে চড় মারেন তিনি।

তবে নারী চরিত্রের জটিলতা যে আসলেই জটিল সেটা ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয় যত টিজার এগোয়। টিজার দেখে স্পষ্ট হয়ে যায়, অঙ্কুশ অভিনীত চরিত্রটি একজন ইভেন্ট ম্যানেজারের। যিনি বিয়ের সমস্ত দায়িত্ব পালন করেন সুষ্ঠুভাবে। কিন্তু এই বিয়ে সামলাতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। কোনও মতেই মেয়েদের মনের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছেন না।
কেউ বলে গলদা চিংড়ি খাবে না। কেউ আবার বলে সাদা শাড়ি পরে বিয়েতে বসবে। সকলের মনের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় অঙ্কুশকে।
অঙ্কুশ এইভাবে সকলের মন রাখতে রাখতে একদিন হাঁপিয়ে ওঠে, ঠিক তখনই তার সঙ্গে দেখা হয়ে যায় ঐন্দ্রিলার। এবার শুরু হয় গল্প। কিন্তু বাস্তবে যায় হোক সিনেমার পর্দায় ঐন্দ্রিলার দু চোখের বিষ অঙ্কুশ। তার পরেও ঐন্দ্রিলার প্রেমে পড়ে যায় অঙ্কুশ, দুঃখিত ঝন্টু? কিন্তু কি ভাবে? দাঁড়ান! সব বলে দিলে তো সিনেমায় শেষ। তাই সময় হাতে নিয়েই ৯ জানুয়ারি দেখে আসুন “নারী চরিত্র বেজায় জটিল” ।












