Madhyamik Programme: দোরগোড়ায় মাধ্যমিক, এখনই নিজস্ব স্টাইল ঠিক করার নির্দেশ

অনলাইনে আলাপচারিতা হলেও সোমবার জাতীয় যুব দিবসে আয়োজিত (Madhyamik Programme) মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য অনুসন্ধান সোসাইটির আহ্বানে মাধ্যমিকের খুঁটিনাটি নিয়ে আলাপচারিতা ছিল সামনাসামনি আলোচনার মতোই।
মাধ্যমিকের বিষয়সমূহের যে দিকগুলো নিয়ে পরীক্ষা প্রস্তুতির শেষ পর্বে স্বাভাবিক প্রশ্ন থাকে, সে সমস্ত প্রসঙ্গে উদাহরণসহ বিস্তারিত আলোচনা করেন অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী।
এই আলোচনায় ছিলেন ডঃ শশাঙ্ক শেখর মন্ডল, পঙ্কজ মহাপাত্র, শেখ আলী আহসান, জ্যোতির্ময় চক্রবর্তী, নাজিম মল্লিক, সাহাবুল ইসলাম গাজী, অর্পণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমূখ।
পরীক্ষার খুঁটিনাটি থেকে আরম্ভ করে প্রস্তুতি নিতে নিজের কৌশল ঠিক করা প্রয়োজন বলে সবিস্তারে বর্ণনা করেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষা দপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত উপ-অধিকর্তা দিব্য গোপাল ঘটক। তাঁর শুভেচ্ছা বাণী দিয়েই এদিনের অনুষ্ঠান শুরু হয়। ছাত্রী-ছাত্রীদের জন্য আকর্ষণীয় অনুষ্ঠানের শেষ বক্তা ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের উপসচিব ড. পার্থ কর্মকার।
সংক্ষিপ্ত আলোচনা হলেও তিনটি পর্বে তার আলোচনা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ প্রস্তুতি, শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি এবং পরীক্ষা হলের পরামর্শ– এই তিন বিষয়ে তিনি পরীক্ষার্থীদের আদর্শ আচরণ কেমন হবে, তা তুলে ধরেন। অংক পরীক্ষার খাতায় কত স্মার্ট ও সাবলীল হবে সেগুলো ধরে ধরে বলেন তিনি।

এদিন উপস্থিত অভিভাবকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দান করেন বিশিষ্ট মনোবিদ ঈশিতা সান্যাল। তিনি বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের এই সময়ে নিজেদের মতো করে প্রস্তুত হওয়ার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
কোনোভাবেই অন্যের মতামত চাপিয়ে দেওয়া, অন্যের সাথে তুলনা করার মতো বিষয় যেন প্রশ্রয় না পায়। তিনি আরো বলেন পরীক্ষার্থীদের পরিবারে এই সময় যেন থাকে, ‘নো এডভাইস জোন’ অর্থাৎ পরীক্ষার্থী যেন পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং পরীক্ষার মুখোমুখি কীভাবে হবে– তার নিজের স্টাইল নিজেই করে নেয়।
ঘন্টা দেড়েকের এদিনের এই অনলাইন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র-ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকরা, আর সমবেতভাবে ছিল বিভিন্ন আবাসিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা (Madhyamik Programme)। উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন বিশিষ্ট শিক্ষক গৌরাঙ্গ সরখেল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন নাফিসা ইসমাত।











