Humayun Kabir: ভোটে জিতলে কি কি বিষয়ে কাজ করবেন হুমায়ূন?
এবার সোস্যাল সাইট ফেসবুকে ১৭ পয়েন্টের একটি পোস্ট শেয়ার করলেন humayun Kabir। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। উক্ত ভোটে নিজেদের ঝুলি শক্ত করতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে একাধিক রাজনৈতিক দল। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে মিটিং – মিছিল। এই আবহে পশ্চিম বাংলার সার্বিক উন্নয়নের জন্য আগামী দিনে জনতা উন্নয়ন পার্টি (JUP) যে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে চাইছে তা নিয়ে ১৭ টি পয়েন্ট তুলে ধরলেন সদ্য নির্মিত জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারপার্সন হুমায়ূন কবির। নিম্নে তা তুলে ধরা হল –
1. শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি – ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শিল্প স্থাপনে সরকারিভাবে জমি অধিগ্রহণ, সহজ নীতি ও শিল্পের জন্য কৃষির জন্য অনুপযুক্ত জমি ব্যবস্থাপনা।
2. কর্মসংস্থান সৃষ্টি – স্থানীয় যুবকদের জন্য শিল্প, পরিষেবা ও স্টার্টআপে চাকরির সুযোগ বাড়ানো। তাছাড়াও অল্প শিক্ষিত তরুণ তরুণীদের জন্য চাহিদা এবং জায়গা ভিত্তিক ব্যবসায় বিনা সুদে ঋণ দেওয়া হবে।
3. শিক্ষার মানোন্নয়ন – সরকারি স্কুল ও কলেজে পরিকাঠামো, শিক্ষক নিয়োগ ও আধুনিক পাঠক্রম। স্কুল ড্রপআউট যাতে না হয় তার জন্য বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। বিকৃত ইতিহাস বাদ দিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের এখানে প্রয়োজন ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা করা হবে।
4. কারিগরি ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ – ITI, পলিটেকনিক ও স্কিল সেন্টার সম্প্রসারণ এবং সেগুলির ফলিত প্রয়োগ যাতে করা যায় তার ব্যবস্থা করা হবে।
5. কৃষির আধুনিকীকরণ – উন্নত বীজ, সেচ, প্রযুক্তি ও কৃষক সহায়তা ব্যবস্থা। প্রথাগত ফসল ছাড়াও বিজ্ঞান ভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের ফলের চাষ যাতে অর্থ সমাগম হতে পারে। তাছাড়া সুষম খাদ্যের জন্য বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বন করে পোল্ট্রি ফার্মিং, গোটারি এবং গরুর দুধের জন্য বিদেশী গরুর চাষে ব্যাপক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
6. কৃষি-ভিত্তিক শিল্প (Agro-based industries) – খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও কোল্ড স্টোরেজ বৃদ্ধি। আমাদের বাংলায় এখনও পর্যন্ত এই দুটি বিষয় অবহেলিত থেকে গেছে।
7. স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়ন – গ্রাম ও শহরে হাসপাতাল, ডাক্তার ও ওষুধের সহজলভ্যতা। সরকারি টাকায় সব সম্প্রদায়ের জন্য কেবলমাত্র হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ, নার্সিং ট্রেনিং কলেজ, ফার্মাসি ইত্যাদি গড়ে তোলা হবে।
8. পরিবহণ ও পরিকাঠামো উন্নয়ন – গ্রামীণ রাস্তা, শহরের রাস্তা, রেল, বন্দর ও গণপরিবহণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ। এছাড়াও প্রত্যেক জেলার কেন্দ্রে একটি করে আধুনিক শহর গড়ে তোলা হবে।
9. শহর ও গ্রাম উন্নয়নের ভারসাম্য – শুধু শহর নয়, গ্রামাঞ্চলেও উন্নয়ন প্রকল্প। MSME র মাধ্যমে শিল্পের প্রসার ছাড়াও পল্ট্রি, গোটারি এবং মাছ চাষ করা হবে।
10. ডিজিটাল পরিকাঠামো বৃদ্ধি – ইন্টারনেট, ই-গভর্নেন্স ও ডিজিটাল পরিষেবা সম্প্রসারণ। প্রতিটি জেলার কেন্দ্রে ডিজিটাল পরিষেবা এবং ইন্টারনেট বৃদ্ধির মাধ্যমে কমিউনিকেশন সিস্টেম উন্নত করা হবে।
11. পর্যটন শিল্পের বিকাশ – সুন্দরবন, দার্জিলিং, ঐতিহ্যবাহী স্থান ও ধর্মীয় পর্যটন উন্নয়ন।
12. নারী ক্ষমতায়ন – শিক্ষা, কর্মসংস্থানে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি।
13. ছোট ব্যবসা ও MSME সহায়তা – সহজ ঋণ, প্রশিক্ষণ ও বাজার সংযোগ।
14. পরিবেশ সংরক্ষণ – নদী, বন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় টেকসই উন্নয়ন নীতি।
15. স্বচ্ছ ও দক্ষ প্রশাসন – দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত পরিষেবা ও জনমুখী প্রশাসন।
16. সরকারি স্তরে কঠোরভাবে দুর্নীতি দমন করা হবে।
17. সরকারি কাজ যাতে উপঢৌকন ছাড়া দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা যায় তা নিশ্চিত করা হবে।












